শোক সংবাদ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নড়াইল জেলার সাবেক আমীর ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সাবেক সদস্য মাওলানা নূরুন্নবী জিহাদী বার্ধক্যজনিত কারণে ২৬ জানুয়ারি বিকাল ৪টায় ৭৯ বছর বয়সে ইন্তিকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন)। তিনি স্ত্রী, ১ পুত্র ও ৭ কন্যাসহ বহু আত্মীয়-স্বজন রেখে গিয়েছেন। ২৭ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৮টায় হবখালী হামিদুন্নেসা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে জানাযা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
জানাযায় ইমামতি করেন সেক্রেটারি জেনারেল, সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। খুলনা জেলা আমীর মাওলানা আবুল কালাম আযাদ, খুলনা মহানগরী আমীর জনাব মাহফুজুর রহমান, মাগুরা জেলা আমীর এম বি বাকের, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ-সভাপতি বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা মাষ্টার শফিকুল আলম, যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চল টিম সদস্য জনাব আবদুল মতিন বিশ্বাস ও মাওলানা মির্জা আশেক এলাহি, খুলনা মহানগরী সেক্রেটারি এড. জাহাঙ্গীর হোসাইন হেলাল, নড়াইল জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এডভোকেট সোহরাব হোসেন বিশ্বাস, নড়াইল জজকোর্টের পিপি ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এড. ইকবাল হোসেন সিকদার, জেলা প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি মাহবুবুর রশিদ লাভলু, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নড়াইল জেলা সভাপতি মাওলানা খাইরুজ্জামান, বিএনপির জেলা সেক্রেটারি ও সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান জনাব মনিরুল ইসলাম, নড়াইল জেলা নায়েবে আমীর জাকির হোসেন ও সেক্রেটারি জনাব ওবায়দুল্লাহ কায়সারসহ হাজার হাজার মুসল্লি জানাযায় শরীক হন।
শোকবাণী
মাওলানা নূরুন্নবী জিহাদী এর ইন্তিকালে গভীর শোক প্রকাশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান ২৭ জানুয়ারি এক শোকবাণী প্রদান করেছেন।
শোকবাণীতে তিনি বলেন, মাওলানা নূরুন্নবী জিহাদী আল্লাহর একজন মুখলিস বান্দা ছিলেন। তিনি খুবই সাদাসিধে ও অনাড়ম্বর জীবনযাপন করতেন। তিনি মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকতেন। দীর্ঘ ২০ বছর নড়াইল জেলা জামায়াতের আমীর হিসেবে তিনি সংগঠনের কাজকে অগ্রাধিকার দিতেন। তার অক্লান্ত পরিশ্রমে নড়াইল জেলায় ইসলামী আন্দোলনের কাজ মজবুত ভিত্তি লাভ করে। তাঁর ইন্তিকালে আমরা ইসলামী আন্দোলনের একজন নিবেদিত প্রাণ দাঈকে হারালাম। তিনি ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে গিয়েছেন এবং ইসলামী আন্দোলনের প্রচার ও প্রসারে তাঁর অনেক অবদান রয়েছে। আমি তাঁর ইন্তিকালে গভীর শোক প্রকাশ করছি।
শোকবাণীতে তিনি আরও বলেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা তাঁকে ক্ষমা ও রহম করুন এবং তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন। তাঁর গুনাহখাতাগুলোকে ক্ষমা করে দিয়ে নেকিতে পরিণত করুন। কবর থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রত্যেকটি মঞ্জিলকে তাঁর জন্য সহজ, আরামদায়ক ও কল্যাণময় করে দিন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁকে জান্নাতে উচ্চ মাকাম দান করুন এবং তাঁর শোকাহত পরিবার-পরিজনদেরকে এ শোক সহ্য করার তাওফিক দান করুন।