বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সম্মানিত আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা টুকরা টুকরা জাতি চাই না। বাংলাদেশকে একটি মানবিক বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমরা আর গডফাদার, গডমাদারদের বাংলাদেশে দেখতে চাই না। মাফিয়াতন্ত্রের বাংলাদেশ দেখতে চাই না। ফ্যাসিবাদের বাংলাদেশ দেখতে চাই না।
তিনি বলেন, আমি যুবকদের বার্তা দিতে চাই, আগামী দিনের বৈষম্যহীন, দুর্নীতি-দুঃশাসনমুক্ত মানবিক বাংলাদেশ গড়ার জন্য তোমাদেরকে আরেকবার গর্জে উঠতে হবে। জেগে উঠতে হবে। আমিও তোমাদের সাথে থাকবো ইনশা আল্লাহ। আমার আপাদমস্তক সাদা হলেও ‘নো প্রবলেম’। বুকের ভেতরের কালারটা এখনো তরুণ আমার। মানুষের মুক্তির মিছিলে আমি পিছিয়ে থাকবো না। তোমাদের সামনে থাকবো ইনশা আল্লাহ।
২৬ ফেব্রুয়ারি বুধবার পঞ্চগড় জেলা শহরের চিনিকল মাঠে আয়োজিত বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক ইকবাল হোসাইনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বেলাল, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি দেলোয়ার হোসেন।
জেলা সেক্রেটারি মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইনের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন অঞ্চল টিম সদস্য মাওলানা আবদুল হাকিম, ঠাকুরগাঁও জেলা আমীর অধ্যাপক বেলাল উদ্দীন প্রধান, নীলফামারি জেলা আমীর মাওলানা আবদুস সাত্তার, দিনাজপুর জেলার সাবেক আমীর আফতাব উদ্দিন মোল্লা ও মুহাম্মাদ আনওয়ারুল ইসলাম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা সমন্বয়ক ফজলে রাব্বি প্রমুখ।
জনসভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিসের জেলা সভাপতি মীর মোরশেদ তুহিন, জাগপা চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান ও হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা শ্রী রতন চন্দ্র রায়।
আরও বক্তব্য রাখেন পঞ্চগড় জেলার নায়েবে আমীর মাওলানা মফিজ উদ্দিন, শহর আমীর মাওলানা জয়নাল আবেদীন, পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি নাসির উদ্দিন সরকার, ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি জুলফিকার রহমান, বোদা উপজেলা আমীর মাওলানা জাহিদুর রহমান, তেঁতুলিয়া উপজেলা আমীর আবদুল হাকিম, জননেতা শফি উল্লাহ শফি, পঞ্চগড় সদর উপজেলার কাজলদিঘী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তোফায়েল প্রধান, মজলিসে মোফাছছেরীন পঞ্চগড় জেলা সভাপতি মাওলানা মাজেদুর রহমান, হাড়িভাসা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নূরে আলম সিদ্দিকী। মুল স্টেজের পাশে ছিলেন ২০২২ সালে নৌকাডুবিতে নিহত পরিবারের সদস্যরা।
এর আগে এম আবু সাঈদের অর্থসহ কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে জনসভা শুরু হয়ে। জামায়াতে ইসলামীর থিমসং পরিবেশন করে সীমান্ত শিল্পী গোষ্ঠীর সদস্যরা। ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্য শোনা এবং এক নজর দেখার জন্য মানুষের ঢল নামে পুরো পঞ্চগড় জেলাজুড়ে। জেলার বিভিন্ন স্থানে তোরণ নির্মাণ করা হয়। শহর গ্রাম সর্বত্রজুড়ে পোস্টার ব্যানার লাগানো হয়। এদিন সকাল থেকেই মিছিলের শহরে পরিণত হয় পঞ্চগড় জেলা। সকাল দশটার পর জনসভা জনসমুদ্রে রূপ নেয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই পঞ্চগড়ে ২০২২ সালে নৌকাডুবির সময় এসেছিলাম। তখন নৌকাডুবিতে ৭২ জন মারা গিয়েছিল। আমরা চেষ্টা করেছি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর কাছে যাওয়ার। তখন একটাই ছোট শিশুকে কোলে নেওয়ার সুযোগ হয়েছিল। সেই শিশুটি আজকে এখানে এসেছে। তার নাম দীপু। সে মা-বাবা দুজনকেই হারিয়েছে। সাধারণত আমরা যেসব শিশুর দায়িত্ব নেই, তার লেখাপড়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত তার আর্থিক দায়িত্ব নেওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু আমি দেখলাম আমরা যাওয়ার পরের দিন ওই এলাকার সংসদ সদস্য ও প্রভাবশালী মন্ত্রী এবং তার স্ত্রী গিয়েছেন। এবং বাচ্চার দায়িত্ব নেন। কিন্তু আজ দীপুর ভাই পরিতোষকে জিজ্ঞেস করলাম- দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রতিমাসে কি তারা তোমাদের খোঁজ নেয়? বললো জ্বি-না। মাঝে মধ্যে জামা কাপড় দিয়েছে। আমার প্রশ্ন জামা-কাপড় দিলে তারা খাবে কী? তিনি নিশ্চয়তা দেন যে আজ থেকে এই শিশু প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত তার লেখাপড়া চলবে। আমরা প্রতিমাসের এক তারিখে তার বাড়িতে হাজির হবো। আমরা দেখবো না তার মা বাবা কোন ধর্মের মানুষ ছিলেন।
তিনি বলেন, আমরা মানুষকে টুকরো টুকরো করতে চাই না। আমরা বাংলাদেশকে একটি মানবিক বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমরা আর গডফাদার, গডমাদার, মাফিয়াতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদের বাংলাদেশ দেখতে চাই না।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমি যুবকদের বার্তা দিতে চাই, আগামী দিনের বৈষম্যহীন দুর্নীতি-দুঃশাসনমুক্ত মানবিক বাংলাদেশ গড়ার জন্য তোমাদেরকে আরেকবার গর্জে উঠতে হবে। জেগে উঠতে হবে। আমিও তোমাদের সাথে থাকবো ইনশা আল্লাহ। আমার আপাদমস্তক সাদা হলেও ‘নো প্রবলেম’। বুকের ভেতরের কালারটা এখনো তরুণ আমার। মানুষের মুক্তির মিছিলে আমি পিছিয়ে থাকবো না। তোমাদের সামনে থাকবো।
আমীরে জামায়াত বলেন, আমাদের কেউ কেউ ভয় দেখায়, তারা বলে যে ‘এই হলে’ ‘ওই হলে’ আবার আপনাদের ফাঁসি হয়ে যাবে। আরে ভাই কাকে ফাঁসির ভয় দেখান। যারা শহীদ হওয়ার জন্য উন্মুখ। এই ভয় করলে আমাদের নেতাদের ফাঁসির পাটাতনে দাঁড়াতে হতো না। সুতরাং আমাদের ফাঁসির ভয় দেখাবেন না।
তিনি বলেন, আমাদের ছোট একটা দেশে বিপুল সংখ্যক মানুষ। আমরা সবাই মিলেমিশে থাকতে চাই। এর মাঝেই আমাদের গর্ব-সৌন্দর্য। এর মধ্যেই আমাদের শান্তি নিহিত। আমাদের সাফ কথা, আমরা এই দেশে কোন মেজরিটি মাইনরিটি মানি না। আমরা সবাই ইউনিটি। একটাই জাতি আমরা। মেজরিটি মাইনরিটি বলার খাসলত ছিল পতিত স্বৈরাচারের। এরা জাতিকে ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করে মুখোমুখি করে রেখেছিল। আমরা মনে করি, যে দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারে না, সে দেশের মানুষ মাথা উঁচু করে সম্মানের সাথে বিশ্বের সাথে দাঁড়াতেও পারে না। তিনি সতর্ক করে বলেন, কেউ যেন অন্য কারো ধর্ম নিয়ে খোঁচাখুচি না করেন। সুড়সুড়ি না দেন। অন্য ধর্মের ভাইদের কষ্ট না দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
আওয়ামী লীগের প্রতি ইঙ্গিত করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগ যাদের মাইনরিটি বলতেন, তাদের সম্পদ এবং ইজ্জতসহ তাদের জীবনের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি সাধন করেছে তারা। তিনি দাবি জানান, বাংলাদেশ সরকার এবং জাতিসংঘের যৌথ উদ্যোগে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে যত ঘটনা ঘটেছে অনুসন্ধান করে তার শ্বেতপত্র বাংলাদেশের জনগণের সামনে প্রকাশ করে দেওয়া হউক।
ভারতের সাথে বাংলাদেশের ভূমিকা নিয়ে আমীরে জামায়াত বলেন, ভারতসহ দুনিয়ার সকল দেশ আমরা একই বিশ্ব সভার সদস্য। জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র। ভারত আমাদের নিকটতম প্রতিবেশি। তারা যেন আমাদের ওপর এমন কিছু চাপিয়ে না দেন, যা বাংলাদেশের মানুষের জন্য সম্মানজনক নয়, অপমানজনক। যদি এরকম তারা কিছু করেন, দেশের স্বার্থে আমরা সেদিন ভূমিকা পালন করতে কারো চোখের দিকে তাকাবো না। আমরা বিবেকের দিকে তাকিয়ে, বিবেকের দায়বদ্ধতা থেকে আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য হবো।
তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশে বলেন, আল্লাহ যদি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দেন, তোমাদের এমন শিক্ষায় গড়ে তোলার চেষ্টা করবো তখন তোমরা সৃষ্টিকর্তা আল্লাহকে ভয় করবে। সেই সাথে শ্রেষ্ঠ কারিগরের হাত নিয়ে তোমরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বের হবে। এক দিনের জন্য তোমাদের বেকারত্বের অভিশাপ ভোগ করতে হবে না। এরকম একটা দেশ গড়তে চাই। এজন্য উপস্থিত জনতার কাছে ভালবাসা এবং সহযোগিতা এবং সমর্থন চান ডা. শফিকুর রহমান। আর নারীদের মর্যাদা এবং নিরাপত্তার সাথে দেশের জন্য ভূমিকা রাখতে পারবেন বলেও আশ্বস্ত করেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, পঞ্চগড়ের কিছু ন্যায্য দাবি ইতিমধ্যে উত্থাপিত হয়েছে। তিনি দাবিগুলোর সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে সেখানে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি আশ্বস্ত করেন যে, বৈষম্যহীন দেশে যে এলাকা বঞ্চিত সেই এলাকা সবার আগে তার পাওনা ফেরত পাবে। যে এলাকা পেয়ে গেছে সেই এলাকাও তার ন্যায্য হিস্যা পাবে বলে জানিয়ে দেন। জামায়াতে ইসলামী যতক্ষণ সত্য এবং ন্যায়ের পথে থাকে ততক্ষণ ভালবাসা এবং সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানান ডা. শফিকুর রহমান। বলেন, জনগণকে নিয়েই মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ।
মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, এখনো যদি চাঁদাবাজি হয়, দখলবাজি হয় তাহলেতো স্বৈরাচারিতা ও দলবাজি থেকে গেল। আজকে আমাদের আত্ম-প্রত্যয় হতে হবে খুনিদের বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৪১ দফা দিয়েছে। আমরা যৌক্তিক সংস্কার চাই। নির্বাচনও চাই। আমরা বলেছি আগে স্থানীয় নির্বাচন হতে হবে। কারণ বিগত স্বৈরাচার স্থানীয় নির্বাচন কলঙ্কিত করেছে। সেজন্য বর্তমান সরকারকে বলছি অতি তাড়াতাড়ি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সিডিউল ঘোষণা করুন। আমরা আনুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচন চাই। আমরা সংসদে সকল দলের প্রতিনিধিত্ব চাই। ভারতের অসম চুক্তি করে আওয়ামী লীগ ভারতকে সুযোগ দিয়েছে। অসম চুক্তি বাতিল করতে হবে। জামায়াতে ইসলামী কোন ধর্ম বা বর্ণ দেখে সেবা দিবে না। আমরা বাংলাদেশের মানুষ মনে করে সেবা দিবো।
অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বেলাল বলেন, ভারত বাংলাদেশের ঘোষিত শত্রু। এজন্য গুম খুনের জন্য দায়ী হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে। আহ্বান জানাবো হাসিনাকে ফেরত দিন। তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর বৈষম্যহীন রাষ্ট্র হবে ভেবেছিলাম। কিন্তু ৬ মাসেও তা হয়নি। তিনি জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন ও প্রতীক ফেরত চান।
জাগপা চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান বলেন, আমি বিশ্বাস করি পঞ্চগড়ের মানুষের পাশে থাকবে জামায়াতে ইসলামী। এই জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় এলে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে। সনাতন ধর্মীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে। জাগপা সবসময় জামায়াতে ইসলামীর সাথে থাকবে।
ঠাকুরগাঁও জেলার সাবেক আমীর মাওলানা আব্দুল হাকিম বলেন, বার বার নেতার পরিবর্তন হয়েছে। নীতির পরিবর্তন হয়নি। এবার নীতির পরিবর্তন ঘটিয়ে নেতার পরিবর্তন করতে হবে। কোরআনের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কল্যাণ রাষ্ট্র বানাতে হবে। আগামীর বাংলাদেশ হবে কোরআনের এবং ইসলামের বাংলাদেশ।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি দেলাওয়ার হোসাইন পিলখানা হত্যার বিচার চেয়ে বলেন, উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের জন্য সৎ মানুষদের নির্বাচিত করতে হবে। আগামীতে সৎ মানুষদের ভোট দিয়ে সংসদে পাঠাতে হবে।
শ্রী রতন চন্দ্র রায় বলেন, আমরা ভাল আছি। আমাদের ভাল থাকার পেছনে কারণ রয়েছে। শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসবে জামায়াতের লোকজন আমাদের পাহারা দিয়েছেন। তাদের কাছ থেকে কোন খারাপ কথা বা আচরণ পাইনি। আমি জানি সারা দেশের জামায়াতের নেতারা ভাল আচরণ করে। আমাদের পূর্ব পুরুষেরা বলেছন, বিপদের সময়ের বন্ধুই হলো, প্রকৃত বন্ধুু। নৌকাডুবিতে আমার আত্মীয়-স্বজন ছিল। আমীরে জামায়াত আমাদের অর্থ দিয়ে বুকে জড়িয়ে ধরেছিলেন। তখন আমি বুঝেছিলাম এই মানুষটা কত ভাল। তিনি চলে যাওয়ার পর আমি ঈশ্বরের কাছে বলেছিলাম আবারো যেন তাকে দেখতে পারি। সনাতনী ভাইদের বলবো জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসুক। বৈষম্য থাকবে না।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক মাওলানা ইকবাল হোসেইন বলেন, পঞ্চগড়কে বাংলাদেশের দ্বিতীয় রাজধানী বানাতে চাই। এখানে শিল্প বিপ্লব ঘটাতে চাই। তিনি উদ্বোধন হওয়া প্রাইভেট মেডিকেলের কাজ পুনরায় চালু করার দাবি জানান। সেইসাথে চা শিল্পের উন্নয়নে এখানে নিলাম কেন্দ্র বানানোর দাবি জানান।