কেবল গত মাসেই এক দফায় ৮ থেকে ১২ শতাংশ জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে। ক্ষেত্রবিশেষে এর চেয়েও বেশি।
মূল্যবৃদ্ধির হাত ধরে দ্রব্যমূল্যও বেড়ে গেছে। অথচ মানুষের আয় বাড়েনি। ক্রমাগত বেকারত্ব বেড়েই চলেছে। আবারও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পাঁয়তারা চলছে।
দিশেহারা জনগণ যাবে কোথায়, করবে কী, বাঁচবে কীভাবে? অথচ সরকার আশ্বস্ত করেছিল, অন্তত এই মাসে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি করা হবে না। যদি এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, নিঃসন্দেহে এটি হবে জনস্বার্থবিরোধী। আমরা এ ধরনের জনস্বার্থবিরোধী সব পদক্ষেপের বিরুদ্ধে।
অথচ এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজেট অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে। বাজেট অধিবেশন শুরুর আগে তড়িঘড়ি করে যদি জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়, তাহলে এটি হবে এক ধরনের ধোঁকাবাজি।
প্রিয় দেশবাসী, আমাদের অধিকারের জন্য আমাদেরকেই জেগে উঠতে হবে, কথা বলতে হবে। অধিকার ছিনিয়ে আনতে হবে। আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি।
সমাজে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যে ভয়াবহ রূপ ফুটে উঠেছে, তার সঙ্গে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি দেশ ও সমাজের অস্তিত্বকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে।
অধিকার কেউ ঘরে এনে দিয়ে যাবে না। অধিকার লড়াই করে আদায় করতে হবে।


Discussion about this post