ডাঃ শফিকুর রহমান এমপি
(Beta)
  • প্রচ্ছদ
  • পরিচিতি
  • লেখালেখি
  • সংবাদ
    • বিজ্ঞপ্তি
    • বিবৃতি
    • বাণী
    • বক্তব্য
  • তথ্যকোষ
    • বই
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • ছবি গ্যালারী
    • ভিডিও গ্যালারী
    • সাক্ষাৎকার
    • ডকুমেন্টারি
  • কার্যক্রম
    • আইন ও মানবাধিকার
    • আন্তর্জাতিক
    • তথ্য ও গবেষণা
    • দাওয়াহ কার্যক্রম
    • রাজনৈতিক
    • শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ
    • সমাজকল্যাণ
    • স্বাস্থ্যসেবা
  • যোগাযোগ
No Result
View All Result
  • English
ডাঃ শফিকুর রহমান এমপি
(Beta)
  • প্রচ্ছদ
  • পরিচিতি
  • লেখালেখি
  • সংবাদ
    • বিজ্ঞপ্তি
    • বিবৃতি
    • বাণী
    • বক্তব্য
  • তথ্যকোষ
    • বই
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • ছবি গ্যালারী
    • ভিডিও গ্যালারী
    • সাক্ষাৎকার
    • ডকুমেন্টারি
  • কার্যক্রম
    • আইন ও মানবাধিকার
    • আন্তর্জাতিক
    • তথ্য ও গবেষণা
    • দাওয়াহ কার্যক্রম
    • রাজনৈতিক
    • শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ
    • সমাজকল্যাণ
    • স্বাস্থ্যসেবা
  • যোগাযোগ
ডাঃ শফিকুর রহমান এমপি
No Result
View All Result

জীবন দিবো- তবু দেশের এক ইঞ্চি মাটিও কাউকে দিবো না

-ডা. শফিকুর রহমান

জীবন দিবো- তবু দেশের এক ইঞ্চি মাটিও কাউকে দিবো না

জাতীয় স্বার্থের ক্ষেত্রে সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে ইস্পাত কঠিন ঐক্য চাইলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, দেশের আকাশে কালো মেঘ জমেছে। দেশের আাকাশে কালো শকুন দেখা যাচ্ছে। তাদেরকে কোনোরকম সুযোগ দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, সারাদেশে আওয়াজ উঠেছে জীবন দিবো- তবু দেশের এক ইঞ্চি মাটিও কাউকে দিবো না। তিনি উপস্থিত জনতার উদ্দেশে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, আপনারা কী প্রস্তুত? লাখো কন্ঠে জবাব আসে জি, আমরা প্রস্তুত। তিনি বলেন, আমরা চাই, জাতীয় স্বার্থে সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে ইস্পাত কঠিন ঐক্য।

শনিবার ৩০ নভেম্বর সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আয়োজনে কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা সদরের সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে মাঠে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, কোরআনের কথা বলতে গিয়ে, আল্লাহর দ্বীনের কথা বলতে গিয়ে, সত্য কথা বলতে গিয়ে সাতক্ষীরা জেলার মতো বাংলাদেশের আর কোনো জেলা এতো জীবন এবং রক্ত উপহার দেয়নি। এজন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কাছে সাতক্ষীরার মর্যাদা অনন্য উচ্চতায়। আল্লাহ যেন এই জেলার মর্যাদা ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি করে দেন।

তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশ আল্লাহ তায়ালার বড় মেহেরবানি। দুনিয়ার খুব কম জায়গাতেই এমন দেশ রয়েছে। আমরা এমন একটি দেশ পেয়েছি যার মাটির উপর অফুরন্ত সম্পদ। মাটির গর্ভে অফুরন্ত সম্পদ, সমুদ্রেও অফুরন্ত সম্পদ। কিন্তু আমাদের সম্পদগুলো জনগণের উপকারে আসছে না। যারা জনগণের কর্তা হয়ে ক্ষমতায় এসে বিভিন্ন সময় দেশ শাসন করেছেন; তারা জনগণের সম্পদ সুকৌশলে চুরি করে লুন্ঠন করে পকেটে ঢুকিয়েছেন। এজন্য বাংলাদেশের জনগণ তাদের হিস্যা পায়নি।

আমীরে জামায়াত উল্লেখ করেন, ২০১৫ সালে শহীদ পরিবারের সাথে দেখা করতে এসেছিলাম। সকাল ৯/১০ থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত আমি দেখেছি এই জেলার রাস্তাঘাট একদমই ভাঙাচুরা। মোটর সাইকেলে করে সারা জেলা ঘুরার চেষ্টা করেছি। তাদের জিজ্ঞেস করেছিলাম, শাসক দলের কথায় উন্নয়নের জোয়ারে তো দেশ ভাসছে! জোয়ারের সামান্য ছিটেফোটা কী এখানে একটু আসে না? তারা জানায় যে, না আসে না। তারা জানায় বাংলাদেশের শাসকগোষ্ঠী সাতক্ষীরাকে বাংলাদেশের অংশ মনে করে না। আপনাদের ওপর তারা জুলুম করেছে। তারা জনগণের অধিকার দেয়নি। সাতক্ষীরার ওপর জুলুম করেছে। খুন-গুম করেছে। ইজ্জতের ওপর হাত দিয়েছে। সম্পদ লুন্ঠন করেছে। মানুষকে তারা দাসে পরিণত করেছিল। সবচেয়ে খারাপ করেছে সাতক্ষীরায়। শুধু দ্বীনের পক্ষ নেওয়ায় যদি এই অবস্থা হয় তাহলে, হে আল্লাহ দুনিয়া এবং আখেরাতে এই জেলার মর্যাদা বাড়িয়ে দিন।

ডা. শফিকুর রহমান ওয়াদা করে বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দেশের মানুষের কাছে ওয়াদাবদ্ধ। আমরা দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চাই। সুষম উন্নয়ন দিতে চাই। কেউ চাইলেও. না চাইলেও তার অধিকার পাবে। লক্ষ যুবক বেকার থাকবে না। শিক্ষা সমাপনীর সাথে সাথে কাজ ধরিয়ে দেওয়া হবে। নৈতিক এবং জাগতিক শিক্ষার সমন্বয় হবে।

তিনি বলেন, আমরা এমন একটি দেশ চাই, যেখানে মা-বোনেরা ঘরে এবং বাইরে নিরাপদে থাকবে। তারা কর্মস্থল এবং রাস্তাঘাটে সুরক্ষা পাবেন. নিরাপদে থাকবেন। দক্ষতা দিয়ে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন।

তিনি ইতিহাস টেনে বলেন, নবী (সা.) যুদ্ধক্ষেত্রেও নারীদের যুক্ত করেছেন। বিশেষ করে বদরের যুদ্ধের কঠিন দিনে তিনি নারীকে যুক্ত করেছেন। যখন কাফেররা তাঁকে খুব কাছাকাছি চলে এসেছিল হত্যা করার জন্য। যখন পুরুষযোদ্ধারা জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলেন। তখন একজন নারী আল্লাহর রাসুল (সা) কে ঘুরে ঘুরে সুরক্ষা দিয়েছিলেন। তার শরীরে ৩৭টি তীর ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। রাসুল সা. বলেছেন, ‘যখনই শক্র আমার প্রতি তীর নিক্ষেপ করেছে, তখনই ওই নারী তীর আমার শরীরে লাগতে দেননি। যখনই তীর এসেছে ওই নারী ঘুরে ঘুরে আমাকে নবীকে সেফ করেছেন। তিনি হলেন সেই মহিলা সাহাবী মুসাইবা (রা:)।’ রাসূল যদি নারীকে যুদ্ধ ক্ষেত্রে কর্ম দিয়ে থাকেন তাহলে আমরা কে তাদের হাত বন্ধ করার।

তিনি বলেন, আমাদের ব্যাপারে ইসলামের প্রতিপক্ষ শত্রুরা অপপ্রচার চালায় যে, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে মহিলাদের ঘর থেকে বের হতে দিবে না। আর যদি দেয়ও তাদের জোর করে একটা বোরকা পরিয়ে দিবে।

জামায়াতের আমীর নিশ্চয়তা দিয়ে বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে কারো ওপর জোর খাটানো হবে না। যখন ইসলাম কায়েম হবে তখন মা-বোনেরা আনন্দের সাথে ইজ্জত রক্ষার জন্য পর্দা পালন করবে। এরপরও যদি কোন মা বোন পোশাকের ক্ষেত্রে আপত্তি থাকে তাদের কোনো রকম বাধ্য করা হবে না। এদেশে অন্য ধর্মের মানুষ বসবাস করে। অন্য ধর্মের মানুষকে ধর্ম গ্রহণ ও পর্দা করতে বাধ্য করা হবে না। অমুসলিমদের উপাসনালয়ে পাহারা লাগবে না।

আশরাফুল মাখলুকাত হিসেবে সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে মর্যাদা দেওয়া হবে। পরিচ্ছন্ন কর্মীরাও আমাদের কাছে ভিআইপি। রিকশাওয়ালাকেও স্যালুট জানাই। তাদের কাজের মর্যাদা দেওয়া হবে। কৃষকসহ আপামর জনতা সম্মান ও মর্যাদার সাথে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করবে।

তিনি বলেন, চমৎকার সাম্প্রদায়িক-সম্প্রীতির দেশ আমাদের বাংলাদেশ। কিন্তু আমাদের বাগানে মাঝে মধ্যে হুতুম পেঁচা ঢুকে পড়ে। হুতুম পেঁচাদের ব্যাপারে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। আমরা সম্প্রীতি নষ্ট হতে দিবো না। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই; সব মানুষকে কাজের মর্যাদা দিবো। আমরা এমন বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে সবাই কাজ পাবে। যুব সমাজের হাতে কাজ তুলে দিতে চাই্। বয়স্করা কি বেজার হয়েছেন? আমি মনে করি অবশ্যই না। ছেলের কৃতিত্ব বাবার কাছে অটোমেটিক হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, এই যে ২৪-এর স্বাধীনতা এমনি এমনিতে আসেনি। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর প্রকাশ্যে দিবালোকে লগি বৈঠা দিয়ে আমাদের সন্তানদের হত্যা করে তাদের ওপর খুনিরা লাফালাফি করেছে। সেইদিন বাংলাদেশ পথ হারিয়েছিল। সেই পথহারা বাংলাদেশ দীর্ঘ পথ পরিক্রমার পর ২০২৪ সালে আবার তার পথে ফিরে এসেছে। এর মাঝে অনেক রক্ত দিতে হয়েছে। ৫৭ জন চৌকস সেনা অফিসারকে খুন করা হয়েছে। এরপর জামায়াতে ইসলামী নেতৃবৃন্দকে খুন করা হয়েছে। শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে বিচারের নামে জুলুম করে হত্যা করা হয়েছে।

এছাড়া আপনাদের পার্শবর্তী জেলা ঝিনাইদাহে খুনের তান্ডব চালানো হয়েছে। সবশেষ ২০২৪ পর্যন্ত খুনের রক্তে ভাসতে হয়েছে। এসব অভিযোগে ছাত্র-জনতা রাস্তায় নেমে এসেছিল। তারা বুক চিতিয়ে দিয়েছিল। তারা বলেছিল, কোটার নামে জাতির সাথে মেধার সাথে তামাশা করবেন, তা আমরা মানবো না। এই আন্দোলনে ছাত্রদের হাতে কোনো আগ্নেয়াস্ত্র ছিল না। এমনকি তাদের হাতে কোনো ইট-পাথরও ছিল না। কিন্তু সরকার একদিকে তাদের বাহিনীকে নামিয়ে দিলো; আরেক দিকে সরকার তাদের সশস্ত্র গুন্ডাদের নামিয়ে দিলো। এতে দেড় হাজারের বেশি আমাদের সন্তান দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোর থেকে ২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত জালিমদের অত্যাচারে যারা বিদায় নিয়েছেন, হে আল্লাহ! তাদের রূহ নূর দ্বারা পরিপূর্ণ করে দাও। আমরা আল্লার দরবারে দোয়া করি তাদের শহীদ হিসেবে কবুল করুন।

তিনি বলেন, আসার পথে দেখলাম রাস্তাঘাটে উপচেপড়া মানুষ। বাংলাদেশকে প্রাণ উজার করে ভালবাসি। আমাদের উপর জুলুম করা হলেও দেশ থেকে পালিয়ে যাইনি। যারা দেশকে ভালবাসে তারা পালিয়ে যেতে পারে না। এখানে বাঁচতে চাই। লড়াই করতে চাই এবং এই দেশকে দুনিয়ার একটি শ্রেষ্ঠ দেশে পরিণত করতে চাই।

তিনি আরও বলেন, উস্কানি দেওয়া হলেও পাতানো ফাঁদে পা দেওয়া যাবে না। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দেশে বিদেশে সমান তালে লড়াই করা হয়েছে। বিদেশে যারা আছেন তাদের অভিবাদন জানাই। তাদের আত্মীয়-স্বজনকে হয়রানি করা হয়েছে। এরা পশু। পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট। ঐ জাত থেকে চিরমুক্তি চাই। জাতিকে সতর্ক থাকতে হবে এরা যেন আর কখনো ফিরে না আসতে পারে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ বলেন, ইনসাফপূর্ণ সমাজের জন্য গণঅভ্যুত্থান সফল করতে হলে সৎ নেতৃত্বে কায়েমের বিকল্প নাই। সকল পর্যায়ের নেতৃত্বে সৎ মানুষের সমাহার ঘটাতে হবে। নইলে আমরা প্রতারিত হবো। ৪৭ সাল ও ৭১ সালের স্বাধীনতায় আমরা স্বাধীন হতে পারেনি। আসুন, আমরা কাঙ্খিত সমাজ পেতে সাতক্ষীরা জেলার ৪টি আসন সহ সবখানে যোগ্য মানুষের নেতৃত্ব কায়েম করি।

এদিকে এর আগে জেলা শহরের পল্লীমঙ্গল হাইস্কুল মাঠে রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ডা. শফিকুর রহমান। সেখাানে উপস্থিত কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ, মাওলানা আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।

Next Post
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে বিজয়ী সবাইকে আন্তরিক মুবারকবাদ

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে বিজয়ী সবাইকে আন্তরিক মুবারকবাদ

সাম্প্রতিক

  • ২৮ অক্টোবর যে সন্ত্রাসী রাজনীতির সূচনা হয়, তা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত অব্যাহত ছিল
  • আমরা মুক্ত, বৈষম্যহীন, ন্যায়-ইনসাফ ও যুবসমাজের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
  • দলীয় ক্যাডারকে নির্বাচন কমিশনে বসিয়ে রেখে নির্বাচনের ভালো কোনো লক্ষণ দেখছি না
  • আসামে মুসলিম পরিবারের ঘরবাড়ি ও মসজিদ উচ্ছেদের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করছি
  • ৩০০ জন সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করা জামায়াতে ইসলামী আজ বাংলাদেশের ঘরে-ঘরে পৌঁছে গেছে
  • আমরা থামব না, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যাব ইনশাআল্লাহ
  • মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়ার পাশাপাশি আল্লাহর কাছে জবাবদিহির অনুভূতি সবসময় অন্তরে ধারণ করতে হবে
  • জুলাইয়ে ছাত্র-জনতা লুটেরা ও চাঁদাবাজদের জন্য রক্ত দেয়নি
  • মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ
  • চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি
  • মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপির সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনার মি. ইমরান হায়দারের সৌজন্য সাক্ষাৎ
  • বিএনপি বদলে গেলেও আমরা আমাদের কথা বদলাব না, জুলাই সনদ আর গণভোটের গণরায় আদায় করেই ছাড়ব ইনশাআল্লাহ
  • সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত জামায়াত নেতা শামীম আহসানকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন বিরোধীদলীয় নেতা
  • বৈষম্যহীন ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় জামায়াতের রুকনদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে
  • মেহরাবের ইমামরা যেদিন সমাজেরও নেতৃত্ব দেবেন, সেদিন সমাজ থেকে ঘুষ, দুর্নীতি চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, ধর্ষণ, খুন, রাহাজানি, গুম সবকিছুই নিশ্চিহ্ন হবে, ইনশাআল্লাহ

যোগাযোগঃ

জাতীয় সংসদ ভবন অফিসঃ
রুম – ৩২২, সাউথ-ইষ্ট ব্লক, তৃতীয় তলা, জাতীয় সংসদ ভবন, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭
ইমেইলঃ drshafiqurrahman58@gmail.com

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী অফিসঃ
৫০৫, এলিফ্যান্ট রোড, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭
ফোনঃ +৮৮ ০২ ২২২২২৫১৪২
ইমেইলঃ ameer@jamaat-e-islami.org

  • বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
  • লাইব্রেরী
  • গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্কসমূহ
  • যোগাযোগ

© ২০১৮-২০২৬ সর্বস্বত্ত্ব ডাঃ শফিকুর রহমান কর্তৃক সংরক্ষিত

No Result
View All Result

© ২০১৮-২০২৬ সর্বস্বত্ত্ব ডাঃ শফিকুর রহমান কর্তৃক সংরক্ষিত